৭০ বছরের পুরনো ইঞ্জিন দিয়ে হতে পারে ট্যুরিষ্ট ট্রেন

ছবি: অপু নজরুলের ফেইসবুক থেকে

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ তাদের বিভিন্ন প্রাচীন ঐহিত্যকে পর্যটন পণ্যে পরিণত করতে সক্ষম হয়েছেন। আর এগুলোর মাধ্যমে দেশে টানছেন প্রচুর বিদেশি পর্যটক। বাংলাদেশেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে টিকে রয়েছে এরকম অনেক প্রাচীন ঐতিহ্য।

পর্যটক অপু নজরুল তার ফেইসবুকে এরকমই একটি বিষয় তুলে ধরেছেন। ৩১ জুলাই অপু তার পোস্টে লিখেছেন-

১৯৫৩ সালে কানাডার জেনারেল মোটরসে তৈরী EMD B12 মডেলের ১১২৫ হর্সপাওয়ারের এই লোকোগুলো আমাদের দেশে এসেছিল। এগুলি হচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রথম ডিজেল লোকোমোটিভ। আশ্চর্য ব্যাপার হলো সেই সময়ে আমদানী করা ৪০টি লোকোর মধ্যে অল্প কয়েকটি লোকো ৭০ বছর পর এখনও সচল রয়েছে!

আগের মতো গতি নেই, তবে এর লোড নেওয়ার ক্ষমতা এখনও বর্তমান সময়ের অনেক লোকোর চেয়ে বেশি, যে কারণে বর্তমানে যাত্রীবাহী ট্রেনের বদলে কনটেইনার ট্রেন টানতে ব্যবহৃত হয়।

General Motors এর বর্তমান CEO আমাদের দেশে এই লোকো এখনও চলছে শুনে যারপরনাই অবাক হয়েছিলেন ।

এই মডেলের যেসব লোকো বর্তমানে সচল রয়েছে, আর অল্প কিছুদিনের মধ্যে সেগুলোও হয়তো বন্ধ হয়ে যাবে। বাংলাদেশ রেলওয়ের উচিৎ ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসেবে এই লোকোমোটিভগুলো সংরক্ষণ করা৷ চাইলে এসব ইঞ্জিন দিয়ে ট্যুরিষ্ট ট্রেন ও চালু করা যেতে পারে! মনের খায়েশ পুরাতে অনেক বছর আগে একবার হালিশহর থেকে পিছনের গার্ড রুমে উঠে কুমিরা পর্যন্ত গিয়েছিলাম। নাহ খায়েশ মিটেনি!

(প্রথম ও শেষ ছবিটি আমাদের প্রিয় আড্ডাঘর কাট্টলীর পোর্ট কানেকটিং রেললাইন থেকে বছর আষ্টেক আগে তোলা!)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *