সাইপ্রাস প্রজাতন্ত্রে কয়েকদিন (পর্ব-০২)

ছবি: লেখক

একটি দেশ ভ্রমণ করতে গেলে দেশটির ইতিহাস, ঐতিহ্য সম্পর্কে  জানা জরুরি। এ পর্বে তাই আলেকপাত করা হলো সাইপ্রাসের ইতিহাস, রাজনীতি ও ভৌগলিক পরিসংখ্যান ও আবহাওয়া নিয়ে।

সাইপ্রাস প্রজাতন্ত্র ভূমধ্যসাগরের একটি দ্বীপরাষ্ট্র। এটি ভূমধ্যসাগরীয় দ্বীপগুলোর মধ্যে তৃতীয় বৃহত্তম দ্বীপ। দেশটির পূর্বে লেবানন, সিরিয়া, ইসরাইল দক্ষিণে মিসর, উত্তরে তুরস্ক আর পশ্চিমে গ্রীস। ইউরোপ মহাদেশের হাজারো বৈচিত্র্যে ভরা ছোট্ট একটা স্বাধীন দেশ ছিল এক সময়। যার এক তৃতীয়াংশ এখন তুর্কি দখলদারদের ছোবলে অধিকৃত হয়ে আছে।

অনেকেই হয়ত জানেনা সাইপ্রাস একটা স্বাধীন দেশ, এটা একটা প্রজাতন্ত্র। তাদের ধারণা বিভক্ত সাইপ্রাসের তুর্কি অংশ তুরস্কের আর গ্রীক অংশ গ্রীসের। এটা কোনভাবেই ঠিক না। গ্রীক অংশের লোকজন গ্রীক ভাষাভাষী সেটা ঠিক, সাংস্কৃতিক দিক দিয়ে অনেক কিছুটা হয়তো গ্রীসের সাথে মিল আছে কিন্তু এটা কোনভাবেই এই অর্থ বহন করে না যে গ্রীসের অংশ। এই অংশটা একটা স্বাধীন দেশ, একটা প্রজাতন্ত্র। যেমন সুইজারল্যান্ড ও কানাডাতে ফরাসি ভাষাভাষীদের এলাকা আছে এর অর্থ এই না যে সুইজারল্যান্ড এবং কানাডা ফ্রান্সের অংশ। তবে এই সকল এলাকাগুলো সাংস্কৃতিক অনেক বিষয় ফ্রান্সের সঙ্গে যৌথভাবে পালন করে থাকে। ঠিক তেমনি সাইপ্রাসেরও অনেক সাংস্কৃতিক বিষয় গ্রীসের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

সাইপ্রাসকে বলা হয় দেবী আফ্রোদিতির জন্মস্থান। এখানে মানব বসতির আদিভূমি হচ্ছে দক্ষিণ উপকূলীয় এলাকা ‘ইতোকরেমনস’। খ্রিষ্ট-জন্মের দশ হাজার বছর আগে এখানে শিকারের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহকারীদের বসতি ছিল বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। এখানে প্রথম সভ্য মানুষ আসে আনাতোলিয়া থেকে খ্রিষ্টপূর্ব ২ হাজার ৪০০ বছর আগে। আর গ্রীকরা আসে খ্রিষ্টপূর্ব এক হাজার ৬০০ বছর আগে। এরপর আশপাশের বিভিন্ন জায়গা থেকে বিভিন্ন সময় নানা জাতি ও বর্ণের লোক এখানে এসেছে।

ছবি: লেখক

সাইপ্রাস ইতিহাসের বিভিন্ন সময় গ্রীক, রোমান, পারসীয় এবং মিশরীয় শাসকদের অধীনে শাসিত হয়। ৩৯৫ সালে এ দ্বীপটি বাইজানটাইন সাম্রাজ্যের অধীনে চলে যায়। আরবরা এটি দখল করে ৬৪৩ সালে। ১১৯১ সালে তৃতীয় ক্রুসেডের সময় এটি দখল করে ইংল্যান্ডের রাজা রিচার্ড। ১৫৩৯ সালে অটোমানরা এটি দখলে নেয়। ১৮৭৮ সালে দ্বীপটি ব্রিটেনের একটি সামরিক ঘাঁটিতে পরিণত হয়। ১৯২৫ সালে দ্বীপটিকে ব্রিটিশরা নিজেদের একটি কলোনি বলে দাবি করে। অবশেষে ১৯৬০ সালের ১৬ আগস্ট এক চুক্তির মাধ্যমে দেশটি স্বাধীনতা লাভ করে।

১৯৭৪ সালের বসন্তে গ্রীক সাইপ্রিয়ট এক গোয়েন্দা আবিষ্কার করেছিলেন যে ইওকা-বি রাষ্ট্রপতি মাকারিওস এর বিরুদ্ধে একটি অভ্যুত্থানের পরিকল্পনা করছে। যে পরিকল্পনার পিছে গ্রীসের সামরিক জান্তার মদদ ছিল। ১৯৬৭ সালে সামরিক অভ্যুত্থানে গ্রীসের এই সামরিকজান্তা ক্ষমতায় এসেছিল, যা সমগ্র ইউরোপের দ্বারা নিন্দিত হয়েছিল কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ছিল তার পক্ষে।

এই পরিস্থিতির সুযোগটাই তুরস্ক নিয়েছিল। অনেক আগে থেকেই তুরস্কের এই ভূখণ্ডের ওপর লোলুপ দৃষ্টি ছিল। ১৯৭৪ সালের ২০শে জুলাই শনিবার একটা স্বাধীন দেশকে অবৈধ আক্রমণের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন করে তুরস্ক। ১৯৭৪ সালের যুদ্ধে তুর্কি সেনাবাহিনী ৩৭ ভাগ অংশ দখল করে নিয়েছিল। এ যুদ্ধের পর সাইপ্রাসকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে প্রায় ৫ বছর সময় ব্যয় করতে হয়েছিল। যুদ্ধের পর ৬ মাস সাইপ্রাসে বিমান ওঠানামা করতে পারেনি বিমানবন্দরের অভাবে।

এক সময়ে তুর্কিরা নৃশংস ছিল গ্রীক সাইপ্রিয়টদের উপর। এরপরও যদি কোনদিন এই সমস্যার সমাধান হয় তুর্কি সাইপ্রিয়টদের তারা সাদরে গ্রহণ করতে প্রস্তুত। তুর্কি সাইপ্রিয়টরাও সাথে সাথে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের নাগরিক হবে। গ্রীক সাইপ্রিয়টরা গ্রীক বা তুর্কি ভাষাগত পার্থক্য নিয়ে ভাবে না। তারা ভাবে তারা বোঝে একটা কথা, তাহলো তারা সবাই সাইপ্রিয়ট। ইতিমধ্যে অভিযোগ উঠেছে তুরস্ক অধিকৃত অঞ্চলে তুর্কি বসতি গড়ে তুলছে যারা সাইপ্রিয়ট না তাঁদেরকে দিয়ে।

নিকোশিয়াতে ঢোকার পর দেখতে পেলাম গ্রীস এবং তুর্কি অংশের মধ্যে তারের বেড়া দিয়ে আলাদা করে ফেলা হয়েছে। বেড়ার ওপারে তুরস্কের পতাকা মাটিতে একে রাখা হয়েছে অন্য অংশকে উত্যক্ত করার জন্য। আলোকসজ্জা করা হয়েছে এই পতাকার আশেপাশে যাতে রাতেও সেটা দেখা যায়। এটা নির্জলা উত্যক্ততা ছাড়া আর কিছু নয়। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কোন অংশই শান্তিতে নেই, খুশি নেই।

তুর্কিরা প্রমাণ করতে চেয়েছে তারা সাইপ্রাসের জনগণকে সাহায্য করার জন্য সেখানে গিয়েছে কিন্তু বাস্তবতা তা প্রমাণ করে না। আগেই তারা ভাল ছিল সব ধর্মের লোকের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব বোধ ছিল সহাবস্থান ছিল, যা বিভক্ত সাইপ্রাসের তুর্কি অধিকৃত অংশে উধাও।

ছবি: লেখক

কেউ যদি গ্রীক সাইপ্রাস এর গ্রামের দিকে যায় দেখতে পাবে অনেক জায়গায় এখনও তুর্কি/গ্রীক সাইপ্রিয়ট পাশাপাশি স্বচ্ছন্দ্যে শান্তিতে বসবাস করছে। মসজিদ গির্জা পাশাপাশি অবস্থান করছে যা তুর্কি অংশে পাওয়া যাবে না। কারণ সেখান থেকে জোরপূর্বক বিতাড়িত করেছিল গ্রীক সাইপ্রিয়টদের তুরস্কের দখলদাররা। তুর্কীভাষী সাইপ্রিয়টদের মানসিকতা তুর্কিদের থেকে আলাদা, তাদের মানসিকতা সাইপ্রিয়টদের মত। রাজনৈতিক সমস্যার ভুক্তভোগী উভয় সাইপ্রিয়টরা।

তুর্কিদের আসলে নজর ছিল সমগ্র সাইপ্রাসের উপর যখন সেটা সম্ভব হয়নি তখন যতটা সম্ভব ততটা। তুর্কিরা অনেক আগে থেকেই সাইপ্রাসের রাজনীতিতে প্রভাব বিস্তার করতে চেয়েছিল। এছাড়াও দক্ষিণে তেলের সন্ধান পাওয়া গেছে তার উপর নজর ছিল তুরস্কের।

আমরা যে হোটেলে ছিলাম, সেই হোটেলের মধ্যে একটা উপহার সামগ্রীর দোকান ছিল। দোকানের মালিকের বোনও ভাইয়ের সাথে কাজ করে, তাঁর সাথে কথা হল। জিজ্ঞাসা করেছিলাম কিভাবে আলাদা হয়েছিল, এতে সমাজের উপর কি প্রভাব পড়েছিল? তখন উনি আমাকে জানান, দেখেন অনেকে মনে করে সাইপ্রাসের অপর অংশটা তুরস্কের অংশ কিন্তু সেটা ঠিক না। আমরা একটা স্বাধীন দেশ, স্বাধীন জাতি ছিলাম। আমাদের মধ্যে ভাষার পার্থক্য ছিল তারপরেও কিন্তু আমাদের কোন সমস্যা ছিল না। আমরা সবাই মিলে-মিশে বাস করছিলাম কারণ আমরা সবাই সাইপ্রিয়ট ছিলাম, আছি এবং থাকবো। কিন্তু তুরস্ক আগ্রাসন চালিয়ে একটা স্বাধীন দেশের এক তৃতীয়াংশ দখল করে নেয় নিরাপত্তা দেবার নামে। কিন্তু কি নিরাপত্তা তারা দিয়েছে দেখেন, আমি তুর্কি সাইপ্রিয়ট অধ্যুষিত এলাকায় বসবাস করতাম। সেখানে আমার বাড়ি ছিল, ব্যবসা-বাণিজ্য, বন্ধু-বান্ধব ছিল আরও ছিল আমার শৈশব। কয়েক ঘণ্টার নোটিশে আমাকে আমার ভিটেমাটি ছাড়া করা হয়েছিল। আমাকে শূন্য হাতে গ্রীক অংশে চলে আসতে বাধ্য করা হয়। কিন্তু যখন তুরস্ক সেখানে আগ্রাসন চালায় তারা বলেছিল তারা বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে সাইপ্রাসের নিরাপত্তার জন্য বা বিশেষ করে তুর্কি সাইপ্রিয়টদের নিরাপত্তা দেবার জন্য তারা সেখানে এসেছে। আপনি বলেন তুর্কি সাইপ্রিয়টের নিরাপত্তার বিধান নিশ্চয়ই কোন নিরীহ গ্রীক সাইপ্রিয়টকে বিতাড়িত করে হতে পারেনা।

তারপর উনি বললেন, এরপর শুরু হল আমার উদ্বাস্তু জীবন, তারপর অনেক সংগ্রাম এবং এখন আবার এই পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে। আমি জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে আপনার ঘরবাড়ি সব সম্পত্তি তো ওখানে আছে কে দেখে সেগুলো? একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে জানালেন সেসব বেদখল হয়ে গেছে। আগে আমাদের টার্কি অংশে যাওয়ার অনুমতি ছিল না। এখন সে আইন কিছুটা শিথিল, আমরা যেতে পারি কয়েক সপ্তাহ বা মাসের জন্য কিন্তু স্থায়ীভাবে সেখানে বসবাসের অনুমতি নেই। আর আমার ঘরবাড়িগুলো অন্যরা দখল করে নিয়েছে আমার কোন অধিকার নেই তার উপর, আমি বিক্রিও করতে পারিনা। কিন্তু যেসব তুর্কি সাইপ্রিয়ট ওপাশে চলে গেছে তারা তাদের বাড়ি বিক্রি করে যেতে পেরেছে। যাদের সম্পত্তি এখনও এখানে আছে তারা আসতে পারে যে কোন সময়, সেগুলো ব্যবহার করতে পারে বা বিক্রি করতে পারে। সব রকম অধিকার তাদের আছে একজন সাইপ্রিয়টের যা পারা উচিত তারা সবই পারে কিন্তু আমরা গ্রীক সাইপ্রিয়টরা সেটা পারি না।

একটি রাষ্ট্রপতি-শাসিত, বহুদলীয়, প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র সাইপ্রাস।  রাষ্ট্রপতি হলেন একাধারে রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান। রাষ্ট্রপতি প্রতি পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত হন।  সরকারের হাতে নির্বাহী ক্ষমতা ন্যস্ত। সরকার ও আইনসভা একত্রে আইন প্রণয়নের দায়িত্বে নিয়োজিত। নির্বাহী বিভাগ পরিচালনা করেন সরকার, আইন বিভাগ পরিচালনা করেন হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস এবং বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন। ১৯৬০ সালে প্রণীত সংবিধানে বলা হয়, দেশটির প্রেসিডেন্ট হবেন অবশ্যই একজন গ্রীক সাইপ্রিয়ট বা জাতিগত গ্রীক এবং তুর্কি সাইপ্রিয়ট একজন হবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট যিনি ওই গোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের দ্বারা নির্বাচিত হবেন। ১৯৮৩ সালে তুর্কি জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত অংশ স্বাধীনতা ঘোষণা করে। তবে এ পর্যন্ত তুরস্ক ছাড়া আর কোন দেশ তাদের সমর্থন করেনি। দেশটির হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের সদস্য সংখ্যা ৫৯ জন। এর মধ্যে ৫৬ জন সরাসরি নির্বাচিত হন এবং বাকি তিনটি আসন মেরোনাইট, আর্মেনিয়ান এবং ল্যাটিন সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষিত।

সাইপ্রাস বর্তমানে একটি বিভক্ত রাষ্ট্র। তুর্কি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা ১৯৭৪-এর তুর্কি আগ্রাসনের পর থেকে দ্বীপের উত্তরের এক-তৃতীয়াংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। এই ঘটনাটি সাইপ্রাসের রাজনীতিতে আজ অবধি গভীর প্রভাব বিস্তার করে চলেছে।

দেশটির প্রধান প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে ‘সাইপ্রিয়ট ন্যাশনাল গার্ড’। স্থল, নৌ এবং বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে এটি একটি যৌথ প্রতিরক্ষা বাহিনী। এছাড়াও ইউ.এন.ও এবং ব্রিটিশ বাহিনীও সেখানে নিরাপত্তা বিধানের জন্য কাজ করছে।

ছবি: লেখক

দেশটির আয়তন ৯২৫১বর্গ কিলোমিটার। জনসংখ্যা ২০১৬ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী ১১৭০১২৫, জনঘনত্ব ১২৬.৪৯ জন প্রতি বর্গকিলোমিটারে। রাজধানী শহর নিকোশিয়া, রাষ্ট্রীয় ভাষাসমূহ: গ্রীক ও তুর্কী, সংখ্যালঘুদের ভাষা আর্মেনিয়ান, সাইপ্রিয়ট আরবি। জাতিগত গোষ্ঠি: গ্রীক সাইপ্রিয়টস, তুর্কি সাইপ্রিয়টস, আরমেনীয় ও ম্যারোনাইট (বিশেষ গোষ্ঠীর সিরিয় খ্রিস্টান)। মানব উন্নয়ন সূচক মাত্রা খুবই উচ্চ ০.৮৬। মাথাপিছু আয় বাৎসরিক ২০,২১৬ ইউরো। সাইপ্রাস ৬টা প্রশাসনিক জেলায় বিভক্ত এগুলো হল: ফামাগুস্তা(Famagusta), কিরিনিয়া (Kyrenia), লারনাকা (Larnaca), লিমাসল (Limassol), নিকোছিয়া (Nicosia), পাফোস (Paphos)। ২০০৪ সালের পহেলা মে থেকে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সদস্য এবং বর্তমানে মুদ্রা ইউরো। রাষ্ট্রপতি নিকোস আনাসতাছিয়াদেস। সবচেয়ে বড় শহর নিকোশিয়া রাজধানীর লোক সংখ্যা ২৭০০০০। দক্ষিণের শহর লিমাসল দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং সবচেয়ে ছোট শহর পাফোস। পাফোসের জনসংখ্যা এক লাখের মত। কিন্তু বন্দর নগরী হিসেবে এই শহর খুবই গুরুত্বপূর্ণ ৫০০সালের দিকে এই শহরকে বন্দর রাজধানী হিসেবে গণ্য করা হতো।

সাইপ্রাসের উত্তর থেকে দক্ষিণে দূরত্ব ৯৬ কিলোমিটার আর উত্তর থেকে পশ্চিম এর দূরত্ব ২২৪ কিলোমিটার। সমগ্র সমুদ্র সৈকতের দূরত্ব ৭০০ কিলোমিটার। দেশটাতে পাহাড়ি অঞ্চলের সাথে সাথে সমতল ভূমিও আছে প্রচুর।

সাইপ্রাসের মোট লোকসংখ্যার ৮৩% গ্রীক সাইপ্রিয়ট, ১৫% তুর্কি সাইপ্রিয়ট বাকি দুই ভাগ আর্মেনিয়ান ও মারোনিট। মারোনিটের সংখ্যা চার হাজার। মারোনিটরা Maronite Catholic Archeparchy of Cyprus এর সদস্য এবং এরা গ্রীক অংশকে সমর্থন জানিয়েছে।

এখানকার সব থেকে উঁচু পাহাড়টা ভূমধ্যসাগর থেকে ৮০০ মিটার উপরে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *