বিমান ভ্রমণে দরকারী পরামর্শ

ছবি: কাপ্পারিনা/ ফটোএসি

নিয়মিত যারা বিমানে ভ্রমণ করেন তারা জানের নিরাপত্তা তল্লাশীর নানান জটিলতার কথা। তবে আগে থেকে কিছু বিষয় খেয়াল রাখলে সিকিউরিটি চেকিং অনেক সহজ করে বিমান ভ্রমণকে করে তুলতে পারেন আরো সাচ্ছন্দময়।

অনলাইন চেকিং
যে বিমানে ভ্রমণ করবেন তাদের অনলাইন চেকিংয়ের সুবিধা আছে কিনা তা আগেই জেনে নিন। চবিব্বশ থেকে ৪৮ ঘন্টা আগে কোন কোন বিমান সংস্থা তাদের অনলাইন চেকিং ওপেন করে থাকে। সে সুবিধা থাকলে আগেই অনলাইন চেকিং করে নিন। এতে বিমান বন্দরে লম্বা লাইনে অপেক্ষার ঝামেলা থেকে বাঁচতে পারবেন।

সবকিছু চেক করে নিন
বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে বের হবার আগে সবকিছু ভাল করে দেখে নিন। বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে পাসপোর্ট, টিকেট, ডলার, ক্রেডিট কার্ড, নিতে ভুলবেন না। পাসপোর্টের সঙ্গে সবসময় আপনার কয়েক কপি ছবি রাখুন। অফিসিয়াল কাজে বিদেশ গেলে আমন্ত্রণপত্র, আইডি কার্ড সঙ্গে নিন। চিকিৎসার জন্য গেলে অবশ্যই ডাক্তারের স্থানীয় ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন, রিপোর্টসহ প্রয়োজনীয়সব কাগজপত্র নিতে ভুল করবেন না। ভ্রমণে ক্যামেরা নিতে ভুল করবেন না।

সময়মতো বিমানবন্দরে পৌঁছান
যানজট ও অনাকাঙ্খিত যে কোনো পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে হাতে যথেষ্ট সময় নিয়ে বিমানবন্দর যাত্রা করা উচিত। সাধারণত আন্তর্জাতিক রুটে বিমান ছাড়ার কমপক্ষে ২ ঘন্টা আগে এবং অভ্যন্তরীন রুটে ১ ঘন্টা আগে রিপোর্ট করতে বলা হয়। আগেভাগে চেকইন করলে পছন্দের সিট পাওয়াও সহজ।

হ্যান্ড লাগেজ
বিমান ভ্রমণে হ্যান্ড লাগেজ বা হাতে নেওয়ার ব্যাগের নির্ধারিত আকার রয়েছে। হ্যান্ড লাগেজটি তাই মাপ মতো নিন। হ্যান্ড লাগেজে কখনোই লিকুইড কিছু নিবেন না। স্ক্রু ড্রাইভার, স্লাইড রেঞ্জ, ম্যাচ, লাইটচার, পাওয়ার ব্যাংক হ্যান্ড লাগেজে বহন করতে পারবেন না।

কেবিন লাগেজ
আপনি আপনার ভ্রমণে কয়টি লাগেজ বহন করতে পারবেন তার বিস্তারিত টিকেটে দেয়া থাকে। আগে থেকেই আপনার লাগেজের আকার, ওজন সীমা এবং লাগেজ সংখ্যা জেনে নিন। অন্যথায় বিমানবন্দরে ঝামেলার সম্মুখীন হতে পারেন।  লাগেজ নির্বাচনের ক্ষেত্রে লাগেজটির নিজের ওজন সবার আগে দেখুন। যতোটা সম্ভব হালকা লাগেজ কিনুন। বাড়তি ওজনের জন্য বিমানে উচ্চহারে ভাড়া গুনতে হয় বলে বাসা থেকেই লাগেজের ওজন দেখে নিন।

না পরাই ভালো
এখন সব বিমানবন্দরেই প্রতিবার সিকিউরিটি চেকিং এর সময় কোমরের বেল্ট, ঘড়ি, চুড়ি খুলতে হয়। এসব যতোটা সম্ভব কম পরুন। খুলতে হয় জুতাও।  তাই সময় বাঁচাতে পরতে পারেন ফিতা ছাড়া জুতা।

লাগেজ গোছান ঠিকঠাক
অযথা বাড়তি কাপড় বাদ দিন। মোবাইল ফোনের চার্যার ও দরকারী ইলেক্ট্রনিক জিনিসগুলো ছোট একটি থলের ভেতরে নিন। নিয়মিত যেসব ওষুধ সেবন করতে হয় সেগুলো সঙ্গে নিন। ডাক্তারের সব প্রেসক্রিপশনও সঙ্গে রাখুন, প্রয়োজনে যেন তার দেখাতে পারেন।

নিয়ম মেনে চলুন
বিমান ভ্রমণে অনেক নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলতে হয়। সিকিউরিটি চেকিং এর সময় নিরাপত্তা কর্মীকে সবসময় সহযোগিতা করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *