ই-পাসপোর্টের যুগে বাংলাদেশ

ছবি: এ বি এম আখতারুজ্জামান / পিআইডি

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর চালু হলো ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট বা ই-পাসপোর্ট পরিষেবার। ২২ জানুয়ারি বুধবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক অনুষ্ঠানে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাকিল আহমেদ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর হাতে তাঁর ই-পাসপোর্টটি তুলে দেন।

বাংলাদেশ বিশ্বের ১১৯তম দেশ যেখানে ই-পাসপোর্ট চালু হলো।

ই- পাসপোর্টের আবেদন আপাতত শুধু ঢাকার আগারগাঁও, উত্তরা ও যাত্রাবাড়ী পাসপোর্ট কার্যালয়ে নেওয়া হবে।

ছবি: এ বি এম আখতারুজ্জামান / পিআইডি

পর্যায়ক্রমে সারাদেশে কার্যক্রম বিস্তৃত হবে বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল ইতোপূর্বে জানিয়েছেন। ২০২০ সালের মধ্যেই সারাদেশে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ রয়েছে সরকারের। এছাড়া বিদেশে অবস্থানরতরাও পর্যায়ক্রমে ই-পাসপোর্ট পাবেন। পাশাপাশি মেশিন রিডেবল পাসপোর্টও কার্যকর থাকবে।

পাঁচ ও ১০ বছর মেয়াদী ই-পাসপোর্ট হবে ৪৮ ও ৬৪ পাতার।

৪৮ পৃষ্ঠার পাঁচ বছর মেয়াদী সাধারণ পাসপোর্টের (১৫ দিনের মধ্যে দেওয়া হবে) এর জন্য ফি লাগবে ৩ হাজার ৫০০ টাকা। আর সাতদিনের মধ্যে (জরুরি) পেতে হলে ৫ হাজার ৫০০ টাকা ও দুদিনে (অতি জরুরি) পাওয়ার জন্য খরচ করতে হবে ৭ হাজার ৫০০ টাকা।

ছবি: এ বি এম আখতারুজ্জামান / পিআইডি

একই সংখ্যক পৃষ্ঠার ১০ বছর মেয়াদী সাধারণ ই-পাসপোর্টের জন্য ৫ হাজার, জরুরি ৭ হাজার ও অতি ‍জরুরির জন্য ৯ হাজার টাকা হাজার টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

আর ৬৪ পৃষ্ঠার পাঁচ বছর মেয়াদী ই-পাসপোর্ট করতে লাগবে যথাক্রমে ৫ হাজার ৫০০ টাকা, জরুরি ৭ হাজার ৫০০ টাকা ও অতি জরুরি ১০ হাজার ৫০০ টাকা।

৬৪ পৃষ্ঠার ১০ বছর মেয়াদী ই-পাসপোর্ট করতে লাগবে যথাক্রমে ৭ হাজার (সাধারণ), ৯ হাজার (জরুরি) ও ১২ হাজার (অতি জরুরি) টাকা।

ই-পাসপোর্ট এর আবেদন অনলাইনে অথবা পিডিএফ ফরমেট ডাউনলোড করে পূরণ করা যাবে। এতে কোনো ছবির প্রয়োজন হবে না; কাগজপত্র সত্যায়নও করতে হবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *